মেনু নির্বাচন করুন

ভাটারা ইউনিয়নের ইতিহাস

ভাটারা ইউনিয়নের ইতিহাসঃ ঢাকা মহানগরীর আদি ও অকৃত্রিম অঞ্চলটিকে বলা হয়। বাংলাদেশের অন্যান্য অঞ্চলের সাধারণ বাঙালী সংস্কৃতি থেকে এখানকার সংস্কৃতি অনেকটাই ভিন্নতর। ভাটারা ইউনিয়নের উত্তরে বসুন্ধরা, পূর্বে ডুমনী ইউনিয়ন পরিষদ, পশ্চিম সীমারেখা দক্ষিনে সাতারকুল ইউনিয়নের উত্তরে পশ্চিম সীমানা এবং বাড্ডা ইউনিয়নের উত্তর সীমারেখা সূতী ভোলা খাল, পশ্চিমে ১৮ নং ওয়ার্ডের পূর্ব সীমারেখা পর্যন্ত বিস্তৃত। মূলত মহান মুক্তিযুদ্ধের পর ভাটারা ইউনিয়নটি গড়ে ওঠে বৃহত্তর সাতারকূল ইউনিয়ন নামে। পরবর্তীতে বৃহত্তর সাতারকূল ইউনিয়ন ভেঙ্গে ০৩ ভাগে বিভক্ত করে ভাটারা, বাড্ডা ও সাতারকূল নামে ০৩টি ইউনিয়ন গঠন করা হয়।  বর্তমান ভাটারা (সাবেক বাড্ডা) থানার অধীনে ভাটারা ইউনিয়ন অবস্থিত। এই ইউনিয়নের সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় বাহন হলো রিকশা। এই নবগঠিত ইউনিয়নের রাস্তাগুলো খুব সরু হওয়াতে রিকশা এখানকার প্রধান বাহন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া যান্ত্রিক বাহনগুলোর মধ্যে সি.এন.জি. চালিত অটোরিকশা, বেটারী চালিত অটোরিকশা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। এখানকার স্হানীয় অধিবাসীরা মূলতঃ ব্যবসায়ী। বংশ পরম্পরায় তারা ব্যবসা করে আসছে। বহিরাগত অনেক লোক এখানে চাকুরী করে থাকে। এই ইউনিয়নের লোকেরা চালাক-চতুর, কিন্তু ব্যবহারে খুবই অমায়িক হয়ে থাকেন। বয়স্ক ব্যক্তিদের অত্যন্ত সম্মান ও শ্রদ্ধা দেখানো হয়। এখানকার সংখ্যাগুরু লোকের ধর্ম ইসলাম। তারা ঢাকা'র অন্য এলাকার মানুষের তুলনায় অধিকতর ধর্মসচেতন। প্রায় প্রতিটি মহল্লায় একটি অথবা দু'টি করে মসজিদ রয়েছে। হিন্দু ও খ্রিষ্টান এ দুই সম্প্রদায়ের লোকজনও রয়েছেন। ঈদ-উল-ফিতর, ঈদ-উল-আযহা, শবে বরাত, শবে কদর ভাটারা ইউনিয়নের প্রধান ধর্মীয় উৎসব। পহেলা বৈশাখ বা বৈশাখীও এখানে খুবই উৎসব মূখর ভাবে পালিত হয়।